ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংকট নিরসন কতদূর?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংকট নিরসন কতদূর?
আন্দোলন প্রতিবেদন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ
আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন নিয়ে জনগণ এবং তরুণদের একাংশের মধ্যে কিছু আগ্রহ বিরাজমান। কারণ হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে তারা ভোট দিতে পারেননি। ভোটকে জনগণ তাদের অধিকার মনে করেন, যা ভুল নয়। যদিও তারা এটাও জানেন যে, এসব ভোটে তাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন কখনো হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর ক্ষমতার স্বাদ নেয়ার পর দেশি-বিদেশি শক্তির চাপে অবশেষে ফেব্রুয়ারি’২৬-এ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে ছাত্র-যুব-তরুণদের ভাগ্যের কী পরিবর্তন হবে– চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক! জনগণের মৌলিক অধিকারের একটি হলো শিক্ষা।
’৭১–পরবর্তী ৫৪ বছরে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের হালহকিকত একই রয়েছে। আন্তর্জাতিক বুর্জোয়া মানদণ্ড অনুযায়ী একটি উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০% অথবা জিডিপির ৬% বরাদ্দ থাকতে হয়। বাংলাদেশের শিক্ষাখাত এই মানদণ্ড থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। ১৯৭২ সালে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত মিলিয়ে বরাদ্দ ছিল ২২%। ২০২১-২০২৫ পর্যন্ত শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ছিল জিডিপির ১.৬৯ থেকে ১.৭৬% পর্যন্ত, যা মোট বাজেটের আনুমানিক ১৩%। সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকার আমলে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট বাজেটের ১২.১% এবং জিডিপির ১.৫৩%। অন্তর্বর্তী সরকার বহু সংস্কারের কথা বললেও শিক্ষাখাতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধির সংস্কারটি পর্যন্ত করেনি। বুর্জোয়া দলগুলোও, ছাত্র-পার্টিসহ, এ প্রশ্নে কোনো কথা বলেনি। বৈষম্য নিরসন বহু পরের কথা।
’৭১ পরবর্তী বাংলাদেশে যে শিক্ষানীতি চলমান রয়েছে তা সাম্রাজ্যবাদের প্রেসক্রিপশনে তৈরি এবং আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ ও সামন্ততান্ত্রিক ভাবধারায় সজ্জিত। বহুমুখী ও বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা করে শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগকে সংকুচিত করা হয়েছে। ধর্মবিযুক্ত, বিজ্ঞান ভিত্তিক, একমুখী শিক্ষাব্যবস্থার বদলে মাদ্রাসা ও ইংরেজী মাধ্যম শিক্ষাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ব্যাঙের ছাতার মতো গ্রাম-নগরে মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। দরিদ্র জনগণের সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষায় ঠেলে দেয়া হচ্ছে, সেখানে ধর্মের নামে ধর্মান্ধতার বীজ বপন করা হচ্ছে। অন্যদিকে ধনীশ্রেণির সন্তানদের সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজী মাধমে শিক্ষিত করা হচ্ছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী-ডিজিটালাইজেশনের নামে শ্রমিক-কৃষক-আদিবাসীসহ সাধারণ জনগণের সন্তানদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদের প্রেসক্রিপশনে শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ ও বেসরকারিকরণের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ব্যয় অসম্ভব করে তুলেছে। শিক্ষা খাতের এই দুরবস্থার প্রভাব পড়ে কর্মসংস্থানে।
সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি শিক্ষা ব্যবস্থায় ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের নামে তরুণ-তরুণীদের একটি অংশকে দক্ষ টেকনোক্র্যাট বানাচ্ছে। অন্যদিকে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ বেকারত্বের অভিশাপে দেশে ভবিষ্যৎ নেই বুঝে বিদেশে পাড়ি জমায়। সরকারি হিসেবে ১৯৮০-১৯৯১- এ বেকারত্বের হার ছিল ২.২০%, ১৯৯১-২০০৫-এ ৪.২৫%, ২০১০-২০২০-এ এই হার ৪.৫ থেকে ৫.৩% এর মধ্যে উঠানামা করেছে। ২০২০-২০২৪ সালে এ হার দাঁড়িয়েছে ৪.৭%। বিবিএস-এর তথ্যমতে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের ১৩.৫% বেকার। উপরন্তু প্রতিবছর ১ কোটি লোক যোগ্যতামতো চাকরি পান না, যাদেরকে ছদ্মবেকার বলা হয়। প্রতিবছর ২০-২২ লাখ তরুণ চাকরিতে ঢুকলেও, তার এক তৃতীয়াংশ বিদেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সংজ্ঞামতে, সপ্তাহে ১ ঘণ্টা কাজ করে পারিশ্রমিক পেলে তাকে বেকার বলা যাবে না। সপ্তাহের এক ঘণ্টা চাকরিতে একজন ব্যক্তির কি সংসার চলা সম্ভব? এ থেকে বোঝা যায়, প্রকৃত বেকারের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। বাংলাদেশের রাজনীতি-অর্থনীতি থেকে শুরু করে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিপতি শাসকশ্রণি। আত্মনির্ভরশীল কৃষি-নির্ভর শিল্প বিকাশের পথ বন্ধ রেখে কর্মসংস্থানের সংকট সৃষ্টি করছে।
শাসকশ্রেণি ও রাষ্ট্র জনগণের স্বার্থ রক্ষা না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং দেশীয় বড় বুর্জোয়া শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করছে। ফলে দেশে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানে ব্যাপক সংকট বিদ্যমান। ’২৪-এর অভ্যুত্থান ছিল সরকারি চাকরিতে বৈষম্য দূর করা। অভ্যুত্থান পরবর্তী সাধারণ ছাত্র-তরুণদের আকঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন ব্যবস্থা গড়া। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। কারণ সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বিনষ্ট করে বেকারত্ব তৈরি করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাদের নীল নকশায় তরুণ প্রজন্ম মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে এবং দেশের শ্রমশক্তি ধ্বংস হচ্ছে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী শাসকশ্রেণির সংস্কার কর্মসূচিতে ছাত্র-তরুণদের করুণ দশারও কোনো পরিবর্তন হবে না। কারণ রাষ্ট্রব্যবস্থা, শাসকশ্রেণির কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ বিষয়ে তাদের কোনো মৌলিক পরিবর্তনকামী কর্মসূচিও নেই। ছাত্র-তরুণদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থার জন্য সাম্রাজ্যবাদ-নির্ভর রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন এবং ধর্মবিযুক্ত, বিজ্ঞান ভিত্তিক, একমুখী, বৈষম্যহীন ও মাতৃভাষায় শিক্ষার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিপ্লবী সংগ্রামে সংগঠিত হতে হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংকট নিরসন কতদূর?
আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন নিয়ে জনগণ এবং তরুণদের একাংশের মধ্যে কিছু আগ্রহ বিরাজমান। কারণ হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে তারা ভোট দিতে পারেননি। ভোটকে জনগণ তাদের অধিকার মনে করেন, যা ভুল নয়। যদিও তারা এটাও জানেন যে, এসব ভোটে তাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন কখনো হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর ক্ষমতার স্বাদ নেয়ার পর দেশি-বিদেশি শক্তির চাপে অবশেষে ফেব্রুয়ারি’২৬-এ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে ছাত্র-যুব-তরুণদের ভাগ্যের কী পরিবর্তন হবে– চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক! জনগণের মৌলিক অধিকারের একটি হলো শিক্ষা।
’৭১–পরবর্তী ৫৪ বছরে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের হালহকিকত একই রয়েছে। আন্তর্জাতিক বুর্জোয়া মানদণ্ড অনুযায়ী একটি উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০% অথবা জিডিপির ৬% বরাদ্দ থাকতে হয়। বাংলাদেশের শিক্ষাখাত এই মানদণ্ড থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। ১৯৭২ সালে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত মিলিয়ে বরাদ্দ ছিল ২২%। ২০২১-২০২৫ পর্যন্ত শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ছিল জিডিপির ১.৬৯ থেকে ১.৭৬% পর্যন্ত, যা মোট বাজেটের আনুমানিক ১৩%। সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকার আমলে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট বাজেটের ১২.১% এবং জিডিপির ১.৫৩%। অন্তর্বর্তী সরকার বহু সংস্কারের কথা বললেও শিক্ষাখাতে ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধির সংস্কারটি পর্যন্ত করেনি। বুর্জোয়া দলগুলোও, ছাত্র-পার্টিসহ, এ প্রশ্নে কোনো কথা বলেনি। বৈষম্য নিরসন বহু পরের কথা।
’৭১ পরবর্তী বাংলাদেশে যে শিক্ষানীতি চলমান রয়েছে তা সাম্রাজ্যবাদের প্রেসক্রিপশনে তৈরি এবং আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিবাদ ও সামন্ততান্ত্রিক ভাবধারায় সজ্জিত। বহুমুখী ও বৈষম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা করে শ্রমিক-কৃষক-শ্রমজীবী জনগণের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগকে সংকুচিত করা হয়েছে। ধর্মবিযুক্ত, বিজ্ঞান ভিত্তিক, একমুখী শিক্ষাব্যবস্থার বদলে মাদ্রাসা ও ইংরেজী মাধ্যম শিক্ষাকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ব্যাঙের ছাতার মতো গ্রাম-নগরে মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। দরিদ্র জনগণের সন্তানদের মাদ্রাসা শিক্ষায় ঠেলে দেয়া হচ্ছে, সেখানে ধর্মের নামে ধর্মান্ধতার বীজ বপন করা হচ্ছে। অন্যদিকে ধনীশ্রেণির সন্তানদের সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজী মাধমে শিক্ষিত করা হচ্ছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী-ডিজিটালাইজেশনের নামে শ্রমিক-কৃষক-আদিবাসীসহ সাধারণ জনগণের সন্তানদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদের প্রেসক্রিপশনে শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ ও বেসরকারিকরণের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ব্যয় অসম্ভব করে তুলেছে। শিক্ষা খাতের এই দুরবস্থার প্রভাব পড়ে কর্মসংস্থানে।
সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি শিক্ষা ব্যবস্থায় ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের নামে তরুণ-তরুণীদের একটি অংশকে দক্ষ টেকনোক্র্যাট বানাচ্ছে। অন্যদিকে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ বেকারত্বের অভিশাপে দেশে ভবিষ্যৎ নেই বুঝে বিদেশে পাড়ি জমায়। সরকারি হিসেবে ১৯৮০-১৯৯১- এ বেকারত্বের হার ছিল ২.২০%, ১৯৯১-২০০৫-এ ৪.২৫%, ২০১০-২০২০-এ এই হার ৪.৫ থেকে ৫.৩% এর মধ্যে উঠানামা করেছে। ২০২০-২০২৪ সালে এ হার দাঁড়িয়েছে ৪.৭%। বিবিএস-এর তথ্যমতে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের ১৩.৫% বেকার। উপরন্তু প্রতিবছর ১ কোটি লোক যোগ্যতামতো চাকরি পান না, যাদেরকে ছদ্মবেকার বলা হয়। প্রতিবছর ২০-২২ লাখ তরুণ চাকরিতে ঢুকলেও, তার এক তৃতীয়াংশ বিদেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সংজ্ঞামতে, সপ্তাহে ১ ঘণ্টা কাজ করে পারিশ্রমিক পেলে তাকে বেকার বলা যাবে না। সপ্তাহের এক ঘণ্টা চাকরিতে একজন ব্যক্তির কি সংসার চলা সম্ভব? এ থেকে বোঝা যায়, প্রকৃত বেকারের সংখ্যা আরো অনেক বেশি। বাংলাদেশের রাজনীতি-অর্থনীতি থেকে শুরু করে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদ, দালাল আমলা-মুৎসুদ্দি পুঁজিপতি শাসকশ্রণি। আত্মনির্ভরশীল কৃষি-নির্ভর শিল্প বিকাশের পথ বন্ধ রেখে কর্মসংস্থানের সংকট সৃষ্টি করছে।
শাসকশ্রেণি ও রাষ্ট্র জনগণের স্বার্থ রক্ষা না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং দেশীয় বড় বুর্জোয়া শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করছে। ফলে দেশে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানে ব্যাপক সংকট বিদ্যমান। ’২৪-এর অভ্যুত্থান ছিল সরকারি চাকরিতে বৈষম্য দূর করা। অভ্যুত্থান পরবর্তী সাধারণ ছাত্র-তরুণদের আকঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন ব্যবস্থা গড়া। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। কারণ সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বিনষ্ট করে বেকারত্ব তৈরি করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাদের নীল নকশায় তরুণ প্রজন্ম মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে এবং দেশের শ্রমশক্তি ধ্বংস হচ্ছে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী শাসকশ্রেণির সংস্কার কর্মসূচিতে ছাত্র-তরুণদের করুণ দশারও কোনো পরিবর্তন হবে না। কারণ রাষ্ট্রব্যবস্থা, শাসকশ্রেণির কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ বিষয়ে তাদের কোনো মৌলিক পরিবর্তনকামী কর্মসূচিও নেই। ছাত্র-তরুণদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থার জন্য সাম্রাজ্যবাদ-নির্ভর রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন এবং ধর্মবিযুক্ত, বিজ্ঞান ভিত্তিক, একমুখী, বৈষম্যহীন ও মাতৃভাষায় শিক্ষার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিপ্লবী সংগ্রামে সংগঠিত হতে হবে।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র